Rooftop Gardener avatar

গোলাপ গাছের কীটনাশক, মাকড়নাশক ও ছত্রাকনাশক

rooftop-gardener

Published: 22 Mar 2025 › Updated: 22 Mar 2025গোলাপ গাছের কীটনাশক, মাকড়নাশক ও ছত্রাকনাশক

গোলাপ গাছের কীটনাশক, মাকড়নাশক ও ছত্রাকনাশক

image.png

➡️ গোলাপ গাছের কীটপতঙ্গ ও ছত্রাকজনিত রোগ শনাক্তকরণঃ

এখানে গোলাপ গাছের সবচেয়ে সাধারণ কিছু সমস্যা সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হলো। এগুলো চিনতে শিখুন এবং সময়মতো ব্যবস্থা নিন!

কীটপতঙ্গ:

  • এফিড (Aphids): এই ছোট পোকাগুলো গাছের রস শুষে নেয়, ফলে পাতা বিকৃত হয়ে যায়। দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে পারে, তাই সতর্ক থাকুন!
  • সাদা মাছি (Whitefly): পাতার হলদে হয়ে যাওয়া এবং মধুরস নির্গত করার কারণে ছত্রাক জন্মায়।
  • লাল মাকড় (Red Spider Mite): ছোট মাইট, যা পাতায় দাগ ফেলে এবং গাছ দুর্বল করে। গরম ও শুষ্ক পরিবেশে বেশি হয়।
  • মিলিবাগ (Mealybug): এরা গাছের রস শুষে নেয় এবং মোমের মতো পদার্থ বের করে, যা পাতাকে দুর্বল করে ফেলে।
  • থ্রিপস (Thrips):গাছের পাতার রঙ ফ্যাকাশে, রূপালি দাগ দেখা দেয় ও কুঁকড়ে যায়।ফুলের পাপড়িতে কালো দাগ হয়। ঠিকমতো ফুল ফোটে না, শুকিয়ে ঝরে।পোকা: ছোট, সরু, হলুদ বা কালো, পাতার নিচে থাকে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে গাছ দুর্বল হয়ে যাবে!

ছত্রাকজনিত রোগ:

  • বট্রাইটিস (Botrytis): ধূসর রঙের এক ধরনের ছত্রাক, যা ঠান্ডা ও আর্দ্র পরিবেশে পাতা ও ফলের ওপর আক্রমণ করে।
  • ছত্রাক (Fungi): বেশি আর্দ্রতায় গাছে কালো দাগ সৃষ্টি করে।
  • ডাউনি মিলডিউ / ওডিয়াম (Mildew/Oidium): ছত্রাকজনিত রোগ, যা পাতার ওপরে সাদা গুড়োর মতো আস্তরণ তৈরি করে এবং আলোর শোষণ বাধাগ্রস্ত করে।
  • রাস্ট (Rust): এক ধরনের ছত্রাক, যা পাতায় লালচে-কমলা রঙের দাগ ফেলে এবং গাছ দুর্বল করে। দ্রুত ব্যবস্থা নিন!

➡️ গোলাপ গাছে কীটনাশক ও মাকড়নাশক প্রয়োগের নিয়মঃ

গোলাপ করবেন আর পোকামাকড়ের ঝামেলা পোহাবেন না সেটা হতেই পারেনা। তবে জানতে হবে দমনের সঠিক পদ্ধতি এবং সঠিক কীটনাশক মাকড়নাশক ঔষধ এর মান নিয়ে ডোজ নিয়ে তবেই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। একই কীটনাশক বা মাকড়নাশক রেগুলার ব্যবহার করলে ফলাফল পাবেন না তারজন্য ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দিতে হবে আর সেটার একটি তালিকা আমি শেয়ার করবো :

  1. ইমিটাফ ০.৭ মিলি + ভারটিমেক ১.২৫ মিলি একসাথে ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করবেন। সাথে অবশ্যই বরফের টুকরা মেশাবেন বা চিলড ঠান্ডা পানি ব্যবহার করবেন। ৪ দিন পর পর।

  2. প্রোকলেইম ১ গ্রাম + ভারটিমেক ১.২৫ মিলি ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করবেন। সাথে অবশ্যই বরফের টুকরা মেশাবেন বা চিলড ঠান্ডা পানি ব্যবহার করবেন। ৪ দিন পর পর।

  3. একতারা ০.২৫ গ্রাম + ভারটিমেক ১.২৫ মিলি ১ লিটার লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করবেন। সাথে অবশ্যই বরফের টুকরা মেশাবেন বা চিলড ঠান্ডা পানি ব্যবহার করবেন। ৪ দিন পর পর।

  4. লিকার ২ মিলি + ইমিটাফ ০.৭ মিলি ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করবেন। সাথে অবশ্যই বরফের টুকরা মেশাবেন বা চিলড ঠান্ডা পানি ব্যবহার করবেন। ৪ দিন পর পর।

  5. রিপকড ১ মিলি ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করবেন। সাথে অবশ্যই বরফের টুকরা মেশাবেন বা চিলড ঠান্ডা পানি ব্যবহার করবেন। ৪ দিন পর পর

  6. সানমেকটিন ১.২৫ মিলি + টিডো ১.২৫ মিলি ১ লিটার লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করবেন। সাথে অবশ্যই বরফের টুকরা মেশাবেন বা চিলড ঠান্ডা পানি ব্যবহার করবেন। ৪ দিন পর পর।

  7. ১.২৫ মিলি ভারটিমেক + ২ গ্রাম ১৩:০০:৪৫ এনপিকে + ১ মিলি টিডো ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করবেন। সাথে অবশ্যই বরফের টুকরা মেশাবেন বা চিলড ঠান্ডা পানি ব্যবহার করবেন। ৪ দিন পর পর।

  8. গোলাপ গাছে লেদা পোকা দেখা দিলে প্রোক্লেম ৫ এস জি (এমামেকটিন বেনজোয়েট) ১ গ্রাম/লিটার পানিতে গুলীয়ে গাছে প্রয়োগ করতে হবে।

৮ টি অপশন দিয়েছি এগুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দিবেন তাতে সমস্যা হবেনা। আশাকরি এগুলো কম বেশি সব জায়গায় পাবেন। আর এই ঔষধ গুলো দেওয়ার সময় ২০ লিটারের জন্য ৫ গ্রাম লোকাল শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন। এবার কম পানি হলে কয়েক ফোঁটা অবশ্যই মেশাবেন। স্টিকার মেশানোর চেষ্টা করবেন।

যে জিনিস গুলো করা যাবেনা :

☛ রোদে কীটনাশক দেওয়া যাবেনা।
☛ গাছের মাটি শুকনো থাকলে কীটনাশক দেওয়া যাবেনা।
☛ ভেজা পাতায় স্প্রে করবেন না।
☛ অপরিস্কার গাছ হলে ওয়াশ করে পাতা শুকিয়ে নিবেন।
☛ শুধু পাতার উপর ভাগে স্প্রে করবেন না।
☛ বেশি ওভারডোজ ঔষধ ব্যবহার করবেন না।

যে জিনিস অবশ্যই মেনে চলতে হবে :
➲ বরফ পানি অবশ্যই অবশ্যই
➲ পাতার উপর এবং নিচে দুইপাশে ভীষণ ভালো করে স্প্রে করবেন।
➲ বিকালে কীটনাশক দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

এটাতো হলো রাসায়নিক দমন, তবে অবশ্যই জৈবিকদমন ব্যবস্থা থাকতে হবে। সেটা হলো দিনে ২ -৩ বার স্প্রীডে পানি দিয়েন পাতার এপিট ওপিট ওয়াশ করতে হবে।

➡️ গোলাপ গাছে ছত্রাকনাশক প্রয়োগের নিয়মঃ

গোলাপ গাছে অনেক ছত্রাকজনীত রোগ হয়। তন্মধ্যে ডাইব্যাক, কালো দাগ পড়া রোগ ও পাউডারি মিলডিউ প্রধান।

⚠️ ডাইব্যাক: কোন ছাঁটাই করা ডালের কাটা অংশের আগায় দেখা যায়। কাটা প্রান্ত থেকে নীচে সামান্য কিছুটা অংশ শুকিয়ে কাল কাল হয়ে যায়। শুকানোর দাগ ডালটির একপাশে অথবা ডালটির চারপাশে ঘিরে বৃত্তাকারে দেখা যেতে পারে। অনুকুল পরিবেশে আক্রান্ত ডালটি পুরোপুরি শুকিয়ে কাল হয়ে যায় এবং পাতা ঝরে যায়। ডালের আগা থেকে শুকাতে শুকাতে নীচের দিকে নামতে থাকে। শেষে রোগের আক্রমণে শিকড়গুলোও শুকিয়ে যায় এবং গাছটি মারা যায়।

ব্যবস্থাপনাঃ আক্রান্ত ডাল অন্তত: পক্ষে আক্রান্ত অংশ থেকে প্রায় তিন ইঞ্চি নীচে ধারালো ছুরি বা ছুরিজাতীয় জিনিস দিয়ে কেটে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। ডাল কাটা যন্ত্রটি হাইড্রোজেন পার অক্সাইড দিয়ে ভালো ভাবে শোধন করে নিতে হবে। গোলাপ ডাল ছাঁটাইয়ের পর কপার অক্সিক্লোরাইড পেস্ট আকারে মাথায় লাগাতে হবে। ছত্রাকনাশকের পেস্ট বিশেষ করে কপার অক্সিক্লোরাইড পেস্ট আকারে লাগিয়ে দিতে হবে। গোলাপ গাছে নিয়মিতভাবে সুষমমাত্রায় সার এবং পানি দিতে হবে। কপার অক্সিক্লোরাইড ৪ গ্রাম/লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে ৭ থেকে ১০ দিন পর পর ২ থেকে ৩ বার স্প্রে করতে হবে। গাছে ফুল থাকলে কুপ্রাভিট/কপার অক্সিক্লোরাইড স্প্রে করা যাবে না। এক্ষেত্রে ম্যানকোজেব/এন্টিব্লাইট ২.৫ গ্রাম/লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

⚠️ গোলাপের পাতার কাল দাগ রোগঃ এটি একটি ছত্রাকজনিত রোগ এবং রোগ সংক্রমণকারী ছত্রাক ইথিলিন গ্যাস ত্যাগ করে এবং ঐ গ্যাসের প্রভাবে গাছের পাতা মরে যায় । গোলাপ গাছে এই রোগের আক্রমণ ব্যাপকভাবে দেখা দেয়। রোগের ফলে পাতার দু’পিঠে গাঢ় কাল রঙের দাড় পড়ে। কাপড়ের পাড় কোঁচকালে যেমন দেখায়, দাগের কিনারা দেখতে ঠিক সেই রকম। কোন কোন জাতের গোলাপ গাছে, রোগ সংক্রমণ শুরু হওয়ার ঠিক পর থেকে ব্যাপকভাবে পাতা ঝরতে দেখা যায়। আবার কোন কোন জাতের গোলাপ গাছ তীব্রভাবে রোগাক্রান্ত হলেও পাতা ঝরে যায় না। তীব্রভাবে আক্রান্ত পাতাগুলো (অসংখ্য দাগযুক্ত) গাছে লেগে থাকে।

ব্যবস্থাপনাঃ কাটিং ও চারা শোধন করে টবে বা বাগানে রোপণ করতে হবে। সুস্থ সবল গাছ থেকে কাটিং সংগ্রহ করতে হবে। রোগাক্রান্ত ঝরা পাতা কুড়িয়ে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। নিয়মিত যত্ন এবং প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম লিবরেল জিংক ও ২ গ্রাম লিবরেল বোরন একত্রে স্প্রে করলে সুফল পাওয়া যায়। এ রোগে জৈব সার প্রয়োগ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আক্রান্ত কান্ড, ডগা ছেঁটে ফেলা এবং ছাঁটাই অংশে কপার অক্সিক্লোরাইডের পেস্ট লাগাতে হবে। কপার অক্সিক্লোরাইড ৪ গ্রাম/লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে ৭ থেকে ১৪ দিন পর ৩ থেকে ৪ বার ভালোভাবে স্প্রে করে সম্পূর্ণ গাছ ভিজিয়ে দিতে হবে। অথবা ম্যানকোজেব ২.৫ গ্রাম/১লিটার পানিতে গুলে স্প্রে করতে হবে।

⚠️ গোলাপের পাউডারী মিলডিউ রোগঃ ছত্রাকের আক্রমণে এ রোগ হয়। মাটির উপরিভাগে অবস্থিত গাছের প্রত্যেক অংশে এই ছত্রাকের ব্যাপক সংক্রমণ ঘটে। গাছের নরম পাতাগুলো মুচড়ে যায়। আক্রান্ত পাতার কিছু অংশ উপরের দিকে উঠে যায়। আক্রান্ত অংশে পাউডারের মত গুঁড়ি গুঁড়ি বস্ত্ত দেখা যায়। আক্রমণ তীব্র হলে আক্রান্ত অংশ শুকিয়ে যায় এবং এসব স্থানে কাল দাগ পড়ে। গাছের কচি ডালের ডগাতেও গুঁড়ি গুঁড়ি বস্ত্ত দেখা যায়। আক্রান্ত ফুলের কুঁড়িগুলি ভালোভাবে ফোটে না।

ব্যবস্থাপনাঃ গাছের রোগাক্রান্ত অংশগুলি কেটে সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম থিয়োভিট মিশিয়ে ১০ থেকে ১২ দিন পর পর ২ থেকে ৩ বার প্রয়োগ করতে হবে। অথবা এমিস্টার টপ ১ এম.এল/লিটার পানিতে গুলে স্প্রে করতে হবে।

➡️ পেস্টিসাইড এবং ফাঞ্জিসাইড একসাথে ব্যবহার করা না করা নিয়ে আমার উপলব্ধি

বিষয়টা বুঝতে গেলে সবার আগে জানতে হবে পেস্টিসাইড এবং ফাঞ্জিসাইড কিভাবে কাজ করে।

  • ফাঙ্গাস গাছের কোষের অভ্যন্তরে আক্রমন করে, সুতরাং প্রতিকার বা প্রতিরোধ টা আমাদেরকে কোষের অভ্যন্তরেই করতে হবে। এমন সময়ে ফাঞ্জিসাইড গাছে স্প্রে করা প্রয়োজন যেন এটা গাছের পাতা এবং শাখা প্রশাখার মাধ্যমে কোষে ছড়িয়ে পড়তে পারে। হালকা রোদ থাকে এরকম সময়ে যেমন সকাল ৮-৯ টার মধ্যে অথবা বিকাল ৩/৪ টার দিকে ফাঞ্জিসাইড গাছে প্রয়োগ করা উচিত।

  • মনে রাখতে হবে, পেস্টিসাইড প্রয়োগ করার সময়ে অথবা গাছে প্রয়োগ করার পরে শুকিয়ে যাওয়ার আগে, প্রয়োগ করা গাছে যদি পেস্ট না বসে এবং মারা না যায় তাহলে এটা ব্যবহারে কোন লাভ হবে না। পেস্টিসাইড ব্যবহারের ক্ষেত্রে পেস্ট গাছে বসেছে এরকম সময় দেখে প্রয়োগ করা ভাল। আপনি যতই পেস্ট মেরে ফেলেন না কেন ১ সপ্তাহর ভিতরে এরা নতুন করে আবার জন্মাবে এবং আপনাকে আবার মারতে হবে। অল্প কিছু পোকামাকড় আছে যেগুলো সারাদিনই গাছে বসে থাকতে পারে তাদের বিষয়টা ভিন্ন এবং এগুলোর সংখ্যাটাও কম। দেখা যায় পোকামাকড় সন্ধ্যা হওয়ার ৩০ মিনিট আগে থেকে গাছে বসতে শুরু করে, সুতরাং পেস্টিসাইড মাগরিবের একটু আগে অথবা মাগরিবের পরে প্রয়োগ করা সবথেকে ভালো।

  • যারা শহরে থাকেন এবং ৪/৫ তলার উপরে বাগান করেন তাদের জন্য পেস্টিসাইড এর বিষয়টা অনেকটাই ভিন্ন, কারন শহরে এবং এতটা উঁচুতে পোকামাকড়ের আক্রমণ অনেক কম থাকে।

মন্তব্যঃ সময় ও সুযোগ থাকলে পেস্টিসাইড এবং ফাঞ্জিসাইড আলাদা আলাদা প্রয়োগ করা উত্তম।

➡️গোলাপ গাছের কীটপতঙ্গের আক্রমনের উপর ভিত্তি করে কীটনাশক প্রয়োগঃ

image.png

এফিড (Aphids): এই ছোট পোকাগুলো গাছের রস শুষে নেয়, ফলে পাতা বিকৃত হয়ে যায়। দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে পারে, তাই সতর্ক থাকুন!

☠️ কীটনাশক:

  • Imitaf 20 SL ~ 0.7 ml/liter
  • Actara 25 WG ~ 0.25 gram/liter
  • Tiddo 20 SL ~ 1 ml/liter
  • Semprid 20 SL ~ 1.25 ml/liter
  • উপরোক্ত সাজেস্টেড কীটনাশক থেকে যেকোন একটি ব্যবহার করুন। খুব ভালো ফলাফল পেতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দিতে পারেন।
  • কীটনাশক প্রয়োগের জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
  • সম্ভব হলে সারফ্যাকট্যান্ট ব্যবহার করুন। যেমনঃ চার্জ (ইস্পাহানি এগ্রো)
    রেশিওঃ ০.২৫ মিলি/লিটার অথবা ৫ ফোঁটা।
  • কীটনাশক প্রয়োগের উত্তম সময় হচ্ছে বিকাল বেলা। তাপমাত্রা ২৮° ডিগ্রীর নিচে থাকতে হবে।

থ্রিপস (Thrips): গাছের পাতার রঙ ফ্যাকাশে, রূপালি দাগ দেখা দেয় ও কুঁকড়ে যায়।ফুলের পাপড়িতে কালো দাগ হয়। ঠিকমতো ফুল ফোটে না, শুকিয়ে ঝরে।পোকা: ছোট, সরু, হলুদ বা কালো, পাতার নিচে থাকে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে গাছ দুর্বল হয়ে যাবে!

☠️ কীটনাশক:

  • Imitaf 20 SL ~ 0.7 ml/liter
  • Semprid 20 SL ~ 1.25 ml/liter
  • Tiddo 20 SL ~ 1 ml/liter
  • Confidor 70 WG ~ 0.15 gram/liter
  • উপরোক্ত সাজেস্টেড কীটনাশক থেকে যেকোন একটি ব্যবহার করুন। খুব ভালো ফলাফল পেতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দিতে পারেন।
  • কীটনাশক প্রয়োগের জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
  • সম্ভব হলে সারফ্যাকট্যান্ট ব্যবহার করুন। যেমনঃ চার্জ (ইস্পাহানি এগ্রো)
    রেশিওঃ ০.২৫ মিলি/লিটার অথবা ৫ ফোঁটা।
  • কীটনাশক প্রয়োগের উত্তম সময় হচ্ছে বিকাল বেলা। তাপমাত্রা ২৮° ডিগ্রীর নিচে থাকতে হবে।

image.png


image.png

সাদা মাছি (Whitefly): পাতার হলদে হয়ে যাওয়া এবং মধুরস নির্গত করার কারণে ছত্রাক জন্মায়।

☠️ কীটনাশক:

  • Imitaf 20 SL ~ 0.7 ml/liter
  • Tiddo 20 SL ~ 1 ml/liter
  • উপরোক্ত সাজেস্টেড কীটনাশক থেকে যেকোন একটি ব্যবহার করুন। খুব ভালো ফলাফল পেতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দিতে পারেন।
  • কীটনাশক প্রয়োগের জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
  • সম্ভব হলে সারফ্যাকট্যান্ট ব্যবহার করুন। যেমনঃ চার্জ (ইস্পাহানি এগ্রো)
    রেশিওঃ ০.২৫ মিলি/লিটার অথবা ৫ ফোঁটা।
  • কীটনাশক প্রয়োগের উত্তম সময় হচ্ছে বিকাল বেলা। তাপমাত্রা ২৮° ডিগ্রীর নিচে থাকতে হবে।

লাল মাকড় (Red Spider Mite): ছোট মাইট, যা পাতায় দাগ ফেলে এবং গাছ দুর্বল করে। গরম ও শুষ্ক পরিবেশে বেশি হয়।

☠️ মাকড়নাশক:

  • Proclaim 5SG ~ 1 gram/liter
  • Vertimec 1.8 EC ~ 1.25 ml/liter
  • Licar 1.8 EC ~ 2 ml/liter
  • Sunmectin 1.8 EC ~ 1.25 ml/liter
  • উপরোক্ত সাজেস্টেড মাকড়নাশক থেকে যেকোন একটি ব্যবহার করুন। খুব ভালো ফলাফল পেতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দিতে পারেন।
  • মাকড়নাশক প্রয়োগের জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
  • সম্ভব হলে সারফ্যাকট্যান্ট ব্যবহার করুন। যেমনঃ চার্জ (ইস্পাহানি এগ্রো)
    রেশিওঃ ০.২৫ মিলি/লিটার অথবা ৫ ফোঁটা।
  • মাকড়নাশক প্রয়োগের উত্তম সময় হচ্ছে বিকাল বেলা। তাপমাত্রা ২৮° ডিগ্রীর নিচে থাকতে হবে।

image.png


image.png

মিলিবাগ (Mealybug): এরা গাছের রস শুষে নেয় এবং মোমের মতো পদার্থ বের করে, যা পাতাকে দুর্বল করে ফেলে।

☠️ কীটনাশক:

  • Imitaf 20 SL ~ 0.7 ml/liter
  • উপরোক্ত সাজেস্টেড কীটনাশক থেকে যেকোন একটি ব্যবহার করুন। খুব ভালো ফলাফল পেতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দিতে পারেন।
  • কীটনাশক প্রয়োগের জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
  • সম্ভব হলে সারফ্যাকট্যান্ট ব্যবহার করুন। যেমনঃ চার্জ (ইস্পাহানি এগ্রো)
    রেশিওঃ ০.২৫ মিলি/লিটার অথবা ৫ ফোঁটা।
  • কীটনাশক প্রয়োগের উত্তম সময় হচ্ছে বিকাল বেলা। তাপমাত্রা ২৮° ডিগ্রীর নিচে থাকতে হবে।

গোলাপ ফুলের বিটল পোকা (Beetle of Rose): পোকা চারা গাছের পাতা ও ফুলের পাপড়ি ছিদ্র করে খায়। কীড়া গাছের গোড়ায় মাটিতে বাস করে এবং গাছের শিকড়ের ক্ষতি করে।

☠️ কীটনাশক:

  • Ripcord 10 EC ~ 1 ml/liter
  • কীটনাশক প্রয়োগের জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
  • সম্ভব হলে সারফ্যাকট্যান্ট ব্যবহার করুন। যেমনঃ চার্জ (ইস্পাহানি এগ্রো)
    রেশিওঃ ০.২৫ মিলি/লিটার অথবা ৫ ফোঁটা।
  • কীটনাশক প্রয়োগের উত্তম সময় হচ্ছে বিকাল বেলা। তাপমাত্রা ২৮° ডিগ্রীর নিচে থাকতে হবে।

image.png

image.png


image.png

image.png

লেদা পোকা (Caterpiller): এক সাথে অনেক পোকা পাতার সবুজ অংশ খেয়ে ফেলে । ফলে পাতা জালের মত হয়ে যায়। এ পোকা অনেক সময় ফুলের কুঁড়িতে আক্রমণ করেও ক্ষতি সাধন করে ।

☠️ কীটনাশক:

  • Imitaf 20 SL ~ 0.7 ml/liter
  • Semprid 20 SL ~ 1.25 ml/liter
  • Tiddo 20 SL ~ 1 ml/liter
  • Tafgor 40 EC ~ 2.5 ml/liter
  • Confidor 70 WG ~ 0.15 gram/liter
  • উপরোক্ত সাজেস্টেড কীটনাশক থেকে যেকোন একটি ব্যবহার করুন। খুব ভালো ফলাফল পেতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দিতে পারেন।
  • কীটনাশক প্রয়োগের জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
  • সম্ভব হলে সারফ্যাকট্যান্ট ব্যবহার করুন। যেমনঃ চার্জ (ইস্পাহানি এগ্রো)
    রেশিওঃ ০.২৫ মিলি/লিটার অথবা ৫ ফোঁটা।
  • কীটনাশক প্রয়োগের উত্তম সময় হচ্ছে বিকাল বেলা। তাপমাত্রা ২৮° ডিগ্রীর নিচে থাকতে হবে।

বট্রাইটিস (Botrytis): ধূসর রঙের এক ধরনের ছত্রাক, যা ঠান্ডা ও আর্দ্র পরিবেশে পাতা ও ফলের ওপর আক্রমণ করে।

☠️ ছত্রাকনাশক:

  • Mancer ~ 2 gram/liter
  • Ridomil Gold MZ 68 WG ~ 2 gram/liter
  • উপরোক্ত সাজেস্টেড ছত্রাকনাশক থেকে যেকোন একটি ব্যবহার করুন। খুব ভালো ফলাফল পেতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দিতে পারেন।
  • ছত্রাকনাশক প্রয়োগের জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
  • সম্ভব হলে সারফ্যাকট্যান্ট ব্যবহার করুন। যেমনঃ চার্জ (ইস্পাহানি এগ্রো)
    রেশিওঃ ০.২৫ মিলি/লিটার অথবা ৫ ফোঁটা।
  • ছত্রাকনাশক প্রয়োগের উত্তম সময় হচ্ছে সকাল বেলা। তাপমাত্রা ২৮° ডিগ্রীর নিচে থাকতে হবে।

image.png


image.png

ছত্রাক/ব্লাকস্পট (Fungi/Black Spot): বেশি আর্দ্রতায় গাছে কালো দাগ সৃষ্টি করে।

☠️ ছত্রাকনাশক:

  • Oxicob ~ 2 gram/liter
  • Blitox 50 WP ~ 2 gram/liter
  • Ridomil Gold MZ 68 WG ~ 2 gram/liter
  • উপরোক্ত সাজেস্টেড ছত্রাকনাশক থেকে যেকোন একটি ব্যবহার করুন। খুব ভালো ফলাফল পেতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দিতে পারেন।
  • ছত্রাকনাশক প্রয়োগের জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
  • সম্ভব হলে সারফ্যাকট্যান্ট ব্যবহার করুন। যেমনঃ চার্জ (ইস্পাহানি এগ্রো)
    রেশিওঃ ০.২৫ মিলি/লিটার অথবা ৫ ফোঁটা।
  • ছত্রাকনাশক প্রয়োগের উত্তম সময় হচ্ছে সকাল বেলা। তাপমাত্রা ২৮° ডিগ্রীর নিচে থাকতে হবে।

ডাউনি মিলডিউ / ওডিয়াম (Mildew/Oidium): ছত্রাকজনিত রোগ, যা পাতার ওপরে সাদা গুড়োর মতো আস্তরণ তৈরি করে এবং আলোর শোষণ বাধাগ্রস্ত করে।
☠️ ছত্রাকনাশক:

  • Amistar Top 325 SC ~ 1 ml/liter
  • Thiovit 80 WG ~ 3 gram/liter
  • Kurenox 50 WG ~ 2 gram/liter
  • উপরোক্ত সাজেস্টেড ছত্রাকনাশক থেকে যেকোন একটি ব্যবহার করুন। খুব ভালো ফলাফল পেতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দিতে পারেন।
  • ছত্রাকনাশক প্রয়োগের জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
  • সম্ভব হলে সারফ্যাকট্যান্ট ব্যবহার করুন। যেমনঃ চার্জ (ইস্পাহানি এগ্রো)
    রেশিওঃ ০.২৫ মিলি/লিটার অথবা ৫ ফোঁটা।
  • ছত্রাকনাশক প্রয়োগের উত্তম সময় হচ্ছে সকাল বেলা। তাপমাত্রা ২৮° ডিগ্রীর নিচে থাকতে হবে।

image.png


image.png

রাস্ট (Rust): এক ধরনের ছত্রাক, যা পাতায় লালচে-কমলা রঙের দাগ ফেলে এবং গাছ দুর্বল করে। দ্রুত ব্যবস্থা নিন!

☠️ ছত্রাকনাশক:


➡️ কীটনাশক, মাকরনাশক ও ছত্রাকনাশক কালেকশনঃ

SL No.Trade NameGroup NameUsed AsUse Ratio/lt.
1Imitaf 20 SLImidaclopridPesticide0.7 ml
2KaKaBio Pesticide + PGR1.5 ml
3Proclaim 5SGEmamectin benzoateInsecticide1 gram
4Actara 25 WGThiamethoxamInsecticide0.25 gram
5VERTIMEC 1.8 ECAbamectinInsecticide1.25 ml
6Tiddo 20 SLImidaclopridPesticide1 ml
7Ripcord 10 ECCypermethrinInsecticide1 ml
8Licar 1.8 ECAbamectinInsecticide2 ml
9Sunmectin 1.8 ECAbamectinInsecticide1.25 ml
10Amistar Top 325 SCAzoxystrobin + DifenoconazoleFungicide1 ml
11MancerCarbendazim 12% and Mancozeb 63%Fungicide2 gram
12Thiovit 80 WGSulfurFungicide3 gram
13OxicobCopper oxychloride 50 WPFungicide2 gram
14Semprid 20 SLImidaclopridPesticide1.25 ml
15Confidor 70 WGImidaclopridPesticide0.15 gram
16Kurenox 50 WGCopper OxychlorideFungicide2 gram
17Blitox 50 WPCopper OxychlorideFungicide2 gram
18Ridomil Gold MZ 68 WGMancozeb + MetalaxylFungicide2 gram
19Tafgor 40 ECChlorpyrifos + DimethoidInsecticide2.5 ml

Leave গোলাপ গাছের কীটনাশক, মাকড়নাশক ও ছত্রাকনাশক to:

Written by

Sharing different types of plant tips.

Read more #rose-gardening posts


Best Posts From Rooftop Gardener

We have not curated any of rooftop-gardener's posts yet. But you can encourage our curation team to review posts by visiting them regularly and by referring other readers. Because we give priority to frequently read content.

More Posts From Rooftop Gardener