sohan hossen avatar

সকালের অবসন্নভাব কাটাতে চার খাবার

sohanisti

Published: 04 Aug 2018 › Updated: 04 Aug 2018সকালের অবসন্নভাব কাটাতে চার খাবার

সকালের অবসন্নভাব কাটাতে চার খাবার


পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব সকালবেলার অবসন্নভাব কমাতে একটি চমৎকার খাবার। ছবি : সংগৃহীত

সকালে ঘুম থেকে উঠেই কি অবসন্নভাব হয় আপনার? সকালবেলার এই অবসন্নভাব হওয়ার অন্যতম কারণ পর্যাপ্ত বিশ্রাম না হওয়া। এ ছাড়া অপুষ্টি বা পুষ্টির অভাবও সকালবেলার এই অবসন্নভাব হওয়ার পেছনে আরেকটি বড় কারণ।

তবে কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো এই অবসন্নভাব কমাতে কাজ করে। সকালের অবসন্নভাব কাটায়, এমন কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

১. ওটমিল

ওটমিল উচ্চ মাত্রার পুষ্টিগুণ সম্পন্ন একটি খাবার। এটি শক্তির অন্যতম একটি উৎস। ওটমিলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ আঁশ। এই আঁশ হজম ভালো করতে কাজ করে।

এ ছাড়া ওটমিলের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ও মিনারেল। এটি মস্তিষ্কের কার্যক্রম, বিপাক ইত্যাদি ভালো করে। এটি হৃদযন্ত্রকে ভালো রাখে এবং ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

২. বাদাম

বাদাম ওমেগা তিন ফ্যাটি এসিডের চমৎকার উৎস। এটি ক্ষুধা কমায় এবং সকালের অবসন্নভাব কাটাকে কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি ও ফ্যাটি এসিড। এগুলো স্নায়ু পদ্ধতি ভালো করে, মনোযোগ বাড়ায় এবং মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

৩. দুধ

যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স রয়েছে তাদের জন্য দুধ খাওয়া একটি বড় সমস্যা। তবে যাদের এই সমস্যা নেই তারা কিন্তু অনায়াসেই সকালে এই খাবারটি খেতে পারেন।

দুধের মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় এমাইনো এসিড। এটি কাজ করার শক্তি বাড়ায়। দুধের মধ্যে থাকা ট্রাইপোফেন ও এমাইনো এসিড মস্তিষ্ক থেকে সেরোটোনিন হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে। দুধ সকালের ক্লান্তিভাব দূর করতে চমৎকার একটি খাবার।

৪. কলা

কলা শক্তি বাড়াতে বেশ উপকারী। এই চমৎকার খাবারটি ওজন ব্যবস্থাপনা, স্নায়ুর ভারসাম্য রক্ষা করতে কাজ করে। এটি মেজাজ ভালো করতেও বেশ কার্যকর। তাই অবসন্নভাব কাটাতে সকালের খাদ্যতালিকায় কলা রাখতে পারেন।

ভালো লাগলে লাইক দিবেন।

Leave সকালের অবসন্নভাব কাটাতে চার খাবার to:

Written by

Staying in the meeting with Steemit

Read more #healthytips posts


Best Posts From sohan hossen

We have not curated any of sohanisti's posts yet. But you can encourage our curation team to review posts by visiting them regularly and by referring other readers. Because we give priority to frequently read content.

More Posts From sohan hossen