ohabrizvi avatar

মঙ্গল দাদার রসালো পান

ohabrizvi

Published: 19 Oct 2020 › Updated: 19 Oct 2020মঙ্গল দাদার রসালো পান

মঙ্গল দাদার রসালো পান

বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের একটি স্বনামধন্য শহর সৈয়দপুর। শহরের বিমানবন্দর-ক্যান্টনমেন্ট সংলগ্ন নীচু কলোনি এলাকার রাস্তার পাশেই একটি চা দোকান। এখানেই চা এর সাথে বিক্রি হয় রসালো পান। যাতে বিশ পদের বেশি মসলা দিয়ে তৈরি করা হয় বিশেষ এক ধরনের মিষ্টি পান। যার খ্যাতি সৈয়দপুর পরিয়ে আশে পাশের বেশ কয়েকটি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। যিনি এই পান তৈরি করেন তিনি হলেন মঙ্গল দাদা।

PicsArt_101906.44.07.jpg

PicsArt_101906.43.26.jpg

প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত পান খেতে আসে শত শত মানুষ। মাঝেমাঝে একটি পান পেতে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাড়াতে হয় মানুষকে। অনেকেই লাইনে দাড়িয়ে পরিবারের সদস্যদের জন্য বিশেষ এই পান নিয়ে যান।

পানের সাথে প্রায় বিশ প্রকারের মসলার দিয়ে তৈরি করা হয় এই বিশেষ পান। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মসলা হলো, মধু, কিসমিস, ছোয়ারা, কাজুবাদাম, জেলি, মুরাব্বা, মিষ্টি, গাজর, বাদাম, নারিকেল, আপেল, ডালিম, দারুচিনি, এলাচি ইত্যাদি। পানের স্বাদ বৃদ্ধিতে তিনি নিজস্ব তৈরি কিছু পান-মসলা ব্যবহার করেন।

PicsArt_101906.44.07.jpg

একটি প্লেটে একসাথে ৩৮ টি পান রেডি করেন মঙ্গল। আর মাত্র দু'মিনিটে ক্রেতারা সব পান ক্রয় করে শেষ করে দেন। দূর-দূরান্ত থেকে অনেকে মোটরসাইকেল, কার, বাইসাইকেল এবং অনেকেই হেটে এখানে আসেন একমাত্র পান খাওয়ার উদ্দেশ্যে। স্থানীয়দের অনেকেই অতিথিদের এই পান দিয়ে আপ্যায়ন করেন।

হরেক রকম মসলার সংমিশ্রণে তৈরি প্রতি পানের দাম মাত্র ১০ টাকা। মুখরোচক এই পান খেতে নিচু কলোনি নামে এই এলাকায় শত শত মানুষ এসে ভিড় জমায়। এই পান দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, খেতেও ঠিক তেমনি মজাদার। এতে যেমন আছে মসলার বাহার, তেমনি স্বাদের সমাহার। তাই তো এই পান খাদকের সংখ্যা দিনে-দিনে বেড়েই চলেছে।

PicsArt_101906.44.38.jpg

সৌখিন মানুষ যারা তারা এই পান সখ করেই খাইতে আসেন। এখানে শুধু পান খাওয়া হয় না, এখানে পানের সাথে থাকে বিনোদন। যা একদম ফ্রি।

Device: Redmi Note 7s

Leave মঙ্গল দাদার রসালো পান to:

Written by

Fond of babies.

Read more #bdcommunity posts


Best Posts From ohabrizvi

We have not curated any of ohabrizvi's posts yet. But you can encourage our curation team to review posts by visiting them regularly and by referring other readers. Because we give priority to frequently read content.

More Posts From ohabrizvi