আলোর দর্শন
সাল ১৯৮৭ সন্ধ্যা হলেই প্রতিটি বাড়িতে জলে উঠত হারিকেন।হারিকেন এর আলোয় চলা চল, হারিকেন এর আলোয় খাওয়া দাওয়া এমন কি ডাকতের দল ডাকাতি ও করত হেরিকেন এর আলো দিয়েই।সারা দিন ছোটা ছুটির পর সন্ধ্যা হলেই মেতে উঠতাম পলাপলি খেলায় এখন অবশ্য এ খেলার আধুনিক নাম হয়েছে লুকুচুরি খেলা।খেলা শেষে বাড়তে গিয়ে লেম্প জালাই তাম এখন অবশ্য লেম্প বা হারিকেন জালাতুম।কেরাসিন তেলের তখন বেজায় চাহিদা।নদী দিয়ে জাহাজে করে গেলন কে গেলন কেরাসিন তেল যাবার সময় ডাকত রা ওত পেতে থাকত শুধু এক ড্রাম কেরসিন এর আশায়।তখন কার আলো দেখতে কিছু টা এমন ছিল।
এই আলোটা হয়ত টমাস আলভা এডিসন এর পছন্দ নয়।রীতিমতো আলোর পিছে পড়ে গেলেন এই বিজ্ঞানী।বি -জ্ঞান থেকে বিজ্ঞানী, বিজ্ঞানী সম্পর্কে কার কি মতবাদ আছে তা আমার জানার সৌভাগ্য খুব কম হয়েছে তবে আমার মতে বিভিন্ন বিষয়ে জিনি বিজ্ঞ তিনিই বিজ্ঞানী।
টমাস আলভা এডিসন এই আলোর পিছে পড়ে পড়ে ১৬০০ বার পরীক্ষা করে অসফল হয়েছেন,তবে প্রতিবার অসফল হওয়ার পর সফলতা পাবার নেশায় তিনি আলোর আবিস্কার এ সমর্থ্য হলেন।তার এই আবিষ্কার টা পুরো দুনিয়ার চিত্র পাল্টে দিল।যেখানে হারিকেন এর আলো ছিল ব্যায়বহুল ও একমাত্র ভরসা সেখানে টমাস আলভা এডিসন দাড়করিয়ে দিলেন ব্যাটরি চলিত আলো।পরবর্তীতে সেটা দেখতে এরকাম হয়েছিলঃ
এখন টমাসের তৈরী করা আলোটি ও খুজে পাওয়া দুষ্কর,করন এখন মানুষের রঙিন বাতি না হলে দিন কাটে না লাল আলো তো দুরে থাক।এখন অনেক মানুষ আছে যারা হারিকেন এর নাম পর্যন্ত শোনেনি!
উপরের আলো গুলো ঘর সাজাতে ব্যবহার করা হয়।
উপরের ছবিটি খুলনার, যে শহরটি একটি ভবনের ছাদ থেকে তোলা।যে খুলনার শহর হারিকেন এর আলোয় আলোকিত ছিল এখন কোথায় সে লুকুচুরি খেলা কোথায় সে হারিকেন।মাঋে মাঋে বলতে খুব ইচ্ছা করেঃ
ফিরিয়ে দাও সে আলো
লও এ নগর ।
Who am I?
My nme is Faysal. I am citizen of Bangladesh . I am aslo a photographer . I love travelers very much and love to serve them.Anyone can contact me
you can contact me on discord user nme
join me on facebook
follow me
Thankfull to all
Photo taken by Anthor
Leave আলোর দর্শন to:
Read more #photography posts
Best Posts From Tanvir Hasan FaysaL
We have not curated any of faysal72's posts yet. But you can encourage our curation team to review posts by visiting them regularly and by referring other readers. Because we give priority to frequently read content.